যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3400 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল।
আজ সকালে ব্রিটিশ পাউন্ডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকাড় যুদ্ধ সমাপ্তির বিষয়ে চুক্তি সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হওয়ার ফলে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করার সম্ভাবনার ক্রমাগত আশংকার মধ্যে ক্লান্ত বিশ্ববাজারের জন্য এটি এক গুরুত্বপূর্ণ উপহার স্বরূপ। যুদ্ধ সমাপ্ত হওয়ার এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সংলাপ শুরু হওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্পর্কে একটি নতুন অধ্যায়ের উন্মোচন করেছে। এটি প্রমাণ করে যে সবচেয়ে জটিল পরিস্থিতিতেও কূটনৈতিক উদ্যোগ সমাধান অর্জনের পথ খুলে দিতে পারে। পরবর্তী আলোচনা আরও চ্যালেঞ্জিং হবে বলে আশা করা যায়, তবে চুক্তির স্বাক্ষরের বিষয়টি ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক স্তরে অনিশ্চয়তা হ্রাসের একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই ধরনের খবরের প্রতি সংবেদনশীল ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটগুলোতে ইতোমধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষরের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সাধারণত নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটছে, যা ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের দর বৃদ্ধির বিষয়টি মূলত বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ার প্রতিফলন।
আজ যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তাই ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড প্রতিনিধিদের মন্তব্য বিশেষভাবে নজর কাড়বে—তাদের মুদ্রাস্ফীতি ও ভবিষ্যত মুদ্রানীতি সম্পর্কিত বিবৃতি পাউন্ডের এক্সচেঞ্জ রেট এবং ট্রেডারদের প্রত্যাশায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এই সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠক নির্ধারিত থাকার কারণে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে সরাসরি কোনো ইঙ্গিত পাওয়ার সম্ভাবনা কম। কোনো অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশ না হওয়ায় মার্কেটে অস্থিরতা বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে স্বল্পমেয়াদে পাউন্ডের দরপতনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, পাশাপাশি আরও আকর্ষণীয় মূল্যে পাউন্ড ক্রয়ের সুযোগও পাওয়া যেতে পারে।
দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি মনোনিবেশ করব।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3498-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3459-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ডের লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3498-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ারের লং পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3429-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ডের লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3459 এবং 1.3498-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3429-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ডের শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3391-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো সময় পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ারের সেল পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3459-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ডের শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3429 এবং 1.3391-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
